পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে গেলে তীব্র ব্যথা, দ্রুত ফুলে যাওয়া, হাঁটাচলায় অক্ষমতা, এবং জয়েন্ট অস্থিতিশীল বা ‘লুজ’ হয়ে যাওয়ার অনুভূতি হয় [১, ৪, ৬]। আঘাতের মুহূর্তে ‘পপ’ বা শব্দ শোনা যেতে পারে [৭]। প্রাথমিক চিকিৎসায় বিশ্রাম, বরফ সেক (RICE), এবং গুরুতর ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে [৪, ১১, ১৩]।
লিগামেন্ট ছিঁড়ে গেলে যে লক্ষণগুলো দেখা দেয়:
তীব্র ব্যথা ও ফোলা: আঘাতের স্থানটি তাৎক্ষণিকভাবে ফুলে ওঠে এবং কালশিটে দাগ পড়তে পারে [৬, ৮]।
অস্থিতিশীলতা: হাঁটু বা গোড়ালি নড়াচড়ায় অসুবিধা হয়, মনে হয় জয়েন্টটি সরে যাচ্ছে বা ‘গিভিং আউট’ (নিচে বসে পড়া) অনুভূতি হয় [৬, ৭, ১৪]।
চাপ দিতে না পারা:
আঘাতপ্রাপ্ত পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়ানো বা হাঁটা খুব কঠিন বা অসম্ভব হয়ে পড়ে [৮, ১৪]।
ক্লিকিং শব্দ: আঘাতের সময় বা পরে জয়েন্টে একটি ‘পপিং’ (pop) বা শব্দ শোনা বা অনুভব করা যেতে পারে [৬, ৭]।
জয়েন্ট জমে যাওয়া: ব্যথার কারণে পায়ের জয়েন্ট নড়াচড়া করার পরিসর কমে যায় [৭]।
প্রাথমিক করণীয় (RICE পদ্ধতি):
Rest (বিশ্রাম): আক্রান্ত পাকে বিশ্রাম দিন, হাঁটাচলা কমিয়ে দিন।
Ice (বরফ): দিনে কয়েকবার ১৫-২০ মিনিট বরফ সেক দিন [২]।
Compression (চাপ): ফোলা কমাতে ইলাস্টিক ব্যান্ডেজ ব্যবহার করুন [৪]।
Elevation (উঁচুতে রাখা): পা হৃদপিণ্ডের লেভেলের চেয়ে উঁচুতে রাখুন [৪]।
চিকিৎসা:
আঘাতের তীব্রতার (গ্রেড ১, ২, বা ৩) ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা হয়। হালকা ছিঁড়ে গেলে ফিজিওথেরাপি ও ব্যায়ামে সেরে ওঠে [১১]। তবে পুরোপুরি ছিঁড়ে গেলে (Grade 3) সাধারণত আর্থ্রোস্কোপিক সার্জারি বা অপারেশন এবং দীর্ঘমেয়াদী পুনর্বাসনের (Rehabilitation) প্রয়োজন হয় [১১, ১৫]।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: তীব্র ব্যথায় দ্রুত একজন অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।