২৩ বছর বয়সী এক তরুণী বিরল একটি রোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর শারীরিক সমস্যার মুখোমুখি হন। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি নামের একটি বিরল রোগে ভুগছিলেন।
এই রোগ সাধারণত গর্ভাবস্থার সময় হরমোনজনিত পরিবর্তনের কারণে শরীরের নির্দিষ্ট টিস্যু অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার ফলে দেখা দেয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার শরীরের একটি অংশ এত বেশি বড় হতে থাকে যে স্বাভাবিকভাবে দাঁড়ানো, হাঁটা কিংবা দৈনন্দিন কাজ করাও কঠিন হয়ে পড়ে।
চিকিৎসকদের মতে, এ ধরনের অবস্থায় রোগীরা দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, শারীরিক অস্বস্তি এবং মানসিক চাপের মধ্যেও থাকেন।
পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। প্রায় ১০ ঘণ্টার দীর্ঘ অপারেশনের মাধ্যমে অতিরিক্ত টিস্যু অপসারণ করা হয়। আধুনিক সার্জিক্যাল পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে ধীরে ধীরে রোগীকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে বলে জানা যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই রোগ খুবই বিরল হলেও শরীরে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সময়মতো শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু করলে ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।